• ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ১৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dilip Ghosh

রাজ্য

রথের দিনই বড় রাজনৈতিক বার্তা! শুভেচ্ছা জানিয়ে কী বললেন মোদী ও শুভেন্দু, মায়াপুরে দিলীপের কড়া মন্তব্য

রথযাত্রা (Rath Yatra) উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজমাধ্যমে দেওয়া পৃথক বার্তায় দুজনেই মহাপ্রভু জগন্নাথের আশীর্বাদে সকলের সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। অন্যদিকে রথের দিন সকালে মা ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মায়াপুরে ইসকনের প্রধান মন্দিরে পুজো দিতে যান রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সেখানে আরতি, গোসেবা এবং যজ্ঞে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি (Rath Yatra)।প্রধানমন্ত্রী তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, পবিত্র রথযাত্রা (Rath Yatra) ভারতের চিরন্তন আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক। এই উৎসব মানুষের মধ্যে বিনম্রতা, ঐক্য এবং নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শকে আরও শক্তিশালী করে। তিনি মহাপ্রভু জগন্নাথের কাছে সকলের সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করেন।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার আশীর্বাদে সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। তিনি দেশের, সমাজের এবং সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ কামনা করে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।এদিকে রথযাত্রার (Rath Yatra) সকালে মায়াপুরে ইসকনের প্রধান মন্দিরে পৌঁছে আরতি করেন দিলীপ ঘোষ। এরপর তিনি গোসেবায় অংশ নেন। নিজের হাতে গোমাতাকে খাদ্য খাওয়ান এবং পা ধুয়ে দেন। পরে যজ্ঞেও অংশ নেন তিনি। দিলীপ জানান, ইসকনের মতো একটি আন্তর্জাতিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের রথযাত্রায় অংশ নিতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।মন্দির (Rath Yatra) চত্বরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজনৈতিক প্রশ্নেরও উত্তর দেন দিলীপ ঘোষ। তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের জন্য বিজেপির দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ। তাঁর কথায়, এখন আর মশা-মাছিও সেই দরজা দিয়ে ঢুকতে পারবে না। মদন মিত্রের শিবির বদল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না।রথযাত্রার দিন একদিকে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, অন্যদিকে মায়াপুরে দিলীপ ঘোষের উপস্থিতি এবং তাঁর রাজনৈতিক মন্তব্য ঘিরে দিনভর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় বিয়ের বিতর্কেই কি কাটা পড়ল টিকিট, হিরণকে সরিয়ে চমক বিজেপির

খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। একসময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কয়েক মাস আগে তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অভিযোগ ওঠে। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, ডিভোর্স না দিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তার প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। তার বদলে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই বিতর্কের প্রভাবই পড়েছে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর।এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কে কাকে বিয়ে করছেন, তা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন তিনি।মঙ্গলবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ আরও জানান, আগের নির্বাচনে হিরণ অন্য একটি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন। তাই দল চাইলে তাকে অন্যত্র প্রার্থী করতেই পারে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখা উচিত এবং দলের নেতৃত্বই ঠিক করবে কে কোথা থেকে লড়বেন।তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ওঠানামা থাকেই। অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও কিছুদিন সুযোগ পান না, আবার পরে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই দল এবং তার আদর্শের উপর আস্থা রাখা প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, দুই হাজার ষোল সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরে তাকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে হিরণকে প্রার্থী করা হয়েছিল এবং তিনি জয়ী হন। তবে এবার আবার সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।তিনি জানান, খড়গপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে এবং এইবারও তারা আরও বেশি ভোটে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তার দাবি, কর্মীরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য স্থির করেছেন, এই কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোট পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়গপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। হিরণের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দিলীপ ঘোষের প্রার্থিতা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেঙ্গল টাইগার কামব্যাক! মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন দিলীপ ঘোষ

রানাঘাটের কুপার্স ক্যাম্পে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় মঙ্গলবার একই মঞ্চে দেখা গেল রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। পাশাপাশি বসে সভা করেন দুজনেই। শমীকের আগে বক্তব্য রাখতে উঠে দিলীপ ঘোষ জানান, তাঁরা পরিবর্তন চান। তাঁর কথায়, গত নির্বাচনে এই জায়গায় পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, কিন্তু তা অর্ধেকেই থেমে গিয়েছিল। এবার সেই পরিবর্তন সম্পূর্ণ করতে হবে।বক্তব্যের মাঝেই দিলীপ ঘোষ বলেন, পরিবর্তন এমনিতেই হবে, কারণ পরিবর্তন যুগের নিয়ম। তবে তাঁরা একটু তাড়াতাড়ি সেই পরিবর্তন চান। এরপরই তিনি বলেন, অনেকেই বলতে পারেন তিনি বাইরে থাকতে আর ভালো লাগছে না বলেই মন্ত্রী হতে চাইছেন। দিলীপ ঘোষ নিজেই বলেন, তিনি নিশ্চয় মন্ত্রী হবেন। কারণ মন্ত্রী না হলে সাধারণ মানুষের কীভাবে উপকার করা যাবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।দিলীপের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার না হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গরিবদের জন্য করা প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যের মানুষ কীভাবে পাবেন। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকারের আমলে গরিবদের জন্য দেওয়া সব সুযোগ-সুবিধাই লুট হয়ে যাচ্ছে। তাই মন্ত্রী হয়ে সেই পরিস্থিতি বদলাতে চান বলেও জানান তিনি।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁর বক্তব্যের কটাক্ষ করেন। কুণাল বলেন, সব পেশাতেই উন্নতির লক্ষ্য থাকে। দিলীপ ঘোষ আরএসএসের পুরনো মানুষ এবং তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের মতাদর্শগত লড়াই রয়েছে। তবে প্রকাশ্যে এই হতে চাই, ওই হতে চাইএই ধরনের মন্তব্য তাঁর মুখে মানায় না বলেই কটাক্ষ করেন কুণাল।কুণাল ঘোষ আরও বলেন, তপন শিকদারের পর দিলীপ ঘোষই রাজ্য বিজেপির সবচেয়ে সফল সভাপতি ছিলেন। কিন্তু এখনই মন্ত্রী হতে চাই বলে বিজেপির গোটা দল যেভাবে তাড়াহুড়ো করছে, দিলীপ ঘোষও হয়তো সেই স্রোতেই ভেসে যাচ্ছেন।বেঙ্গল টাইগার ইজ ব্যাক লেখা পোস্টার ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে। আর রাজনীতির ময়দানে নতুন করে সক্রিয় হয়ে এবার প্রকাশ্যেই মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা জানালেন দিলীপ ঘোষ। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
কলকাতা

এক ফ্রেমে দিলীপ-শুভেন্দু, মমতাকে আক্রমণ বিরোধী দলনেতার, বললেন, 'কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতা যাবেন সেখানে'

২০২৬ বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। রাজ্যে পুরো দস্তুর নির্বাচনী দৌত্য় শুরু হয় গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল ছিলেন দিল্লিতে, এদিন রাজ্য বিধানসভা চত্বর একেবারে হুলস্থূল। আবারও শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোকে ফের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও বিধানসভার চলতি অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিরোধী দলনেতাকে ৯ মাস বাইরে রেখেছেন। আর তো দুটো সেশন আছে। একটা বাদল অধিবেশন ও আর একটা শীতকালীন অধিবেশন। তারপরে তো দুদিনের ভোট অন অ্যাকাউন্ট। তারপরে নির্বাচন। তারপর আপনারা প্রাক্তন। কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতাও যাবেন সেখানে। আমরা কোনও সম্প্রদায়ের বিরোধী নই। আমরা তৃণমূলের নীতির বিরোধী।এদিকে আজই শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে কাগজ ছোঁড়ার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, বিশ্বনাথ কারক এবং বঙ্কিম ঘোষকে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন অধ্যক্ষ। তবে বিরোধী দলনেতা এদিন জানিয়েছেন তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হলেও বাকিদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। সেই কারণেই চলতি অধিবেশনে তিনি যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।এদিনই শুভেন্দু অধিকারীর আমন্ত্রণে বিধানসভায় যান বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ককে এদিন বিধানসভায় যেতেই তাঁকে স্বাগত জানাতে এগিয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে বিধানসভায় স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় হৈ হট্টগোল নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমাদের বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানতে চেয়েছিল, সাঁইথিয়া শহরে কেন ইন্টারবনেট বন্ধ। সেই প্রশ্নেই যত রাগ শাসক শিবিরের। বিধানসভা গেটে প্ল্যকার্ড নিয়ে বিক্ষোভও দেখান শুভেন্দু অধিকারীরা।

মার্চ ১৮, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার ১৯ কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা কোন কেন্দ্রে?

শেষমেশ বাংলায় ১৯ লোকসভা আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে এখনও ৪ আসনের ঘোষণা বাকি রইল। রবিবারে রাতে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে ঘোষণা করা হয় এই তালিকা। প্রত্যাশা মতোই প্রার্থী করা হয়েছে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা তাপস রায় এবং অর্জুন সিংকে। প্রার্থী করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে।বড় চমক হিসাবে কৃষ্ণনগরে প্রার্থী করা হয়েছে রাজপরিবারের রাজমাতা অমৃতা রায়কে। দমদমে প্রার্থী করা হয়েছে বারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শীলভদ্র দত্তকে। দক্ষিণ কলকাতা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীকে। মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপকে পাঠানো হয়েছে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে।একনজরে ১৯ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী তালিকা উত্তর কলকাতা তাপস রায়দক্ষিণ কলকাতা- দেবশ্রী চৌধুরীদমদম শীলভদ্র দত্তব্যারাকপুর অর্জুন সিংবর্ধমান-দুর্গাপুর দিলীপ ঘোষবর্ধমান পূর্ব অসীম সরকারমেদিনীপুর অগ্নিমিত্রা পালরায়গঞ্জ কার্তিক পালশ্রীরামপুর কবীর শঙ্কর বোসআরামবাগ অরূপকান্তি দিগারতমলুক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়বসিরহাট রেখা পাত্রবারাসত স্বপন মজুমদারকৃষ্ণনগর অমৃতা রায়জলপাইগুড়ি জয়ন্ত রায়দার্জিলিং রাজু বিস্তাজঙ্গিপুর ধনঞ্জয় ঘোষমথুরাপুর অশোক পুরকাইতউলুবেড়িয়া অরুণ উদয় পাল চৌধুরী

মার্চ ২৪, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালী কাণ্ডে মাস্টারমাইন্ড শেখ শাহজাহান গ্রেফতার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন......

পুলিশের একটা ছিঁচকে মস্তান ধরতে ৫৭ দিন লাগল। তাহলে রাঘব বোয়ালদের তো পুলিশ কোনোদিন ধরবে না। নেতারা বলছেন ১ সপ্তাহ। পার্টির নেতারা ঠিক করে দিচ্ছেন কাকে কখন ধরতে হবে। ওখানকার মানুষ নিরন্তর লড়াই করেছেন। সাধারণ মানুষের দাবী অবশেষে পুলিশ মেনেছে। শুভেন্দু অধিকারী বলে দিয়েছেন। খবর ছিল। এটা সবাই জানে। সর্বভারতীয় চাপের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে। সারা দেশ জুড়ে ন্যাশনাল চ্যানেলে এই নিয়ে চর্চা হচ্ছিল। সবাই আমরা জানতাম ওখানেই আছে।কোর্টের কানমলা খেয়ে অবশেষে ধরতে বাধ্য হল। পুলিশ কেই ধরতে হতো। ইডি ওখানে জলে জঙ্গলে গিয়ে ধরতে পারত না। মুস্কিল ছিল। পুলিশের হাতেই ছিল। পুলিশই ধরেছে। আমরা গোড়া থেকেই বলছিলাম, পুলিশ জানে ও কোথায়। এখন বাধ্য হয়ে তাকে ধরা হয়েছে। এটা আগে হলে বিষয়টা বাড়ত না। এবার ওখানকার লোকেরা ঠিক করবেন তাদের জমি বাড়ি সব টাকা লুঠ হয়েছে সেগুলো তারা কীভাবে ফেরত চাইবেন। আমাদের ৪ কর্মী খুন হয়েছে। আমরা শাহাজাহানের নামে FIR করতে চেয়েছিলাম। পুলিশ তখন নেয়নি। এবার নিতে হবে। হাজার হাজার কোটি লুঠ হয়েছে। এটা প্রসেস শুরু হল। তৃণমূল জানে এবার পরপর লিস্ট আসবে। একদিন না একদিন তাদের সবাইকেই ধরতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
দেশ

দিলীপ ঘোষ ফের কি রাজ্যে সংগঠনের দায়িত্বে? অনুপম কেন্দ্রীয় সম্পাদকই থেকে গেলেন

আগমী লোকসভা নির্বাচনের আগে জেপি নাড্ডার সর্বভারতীয় টিম থেকে বাদ পরলেন দিলীপ ঘোষ।কিন্তু সম্পাদক পদে থেকে গিয়েছেন অনুপম হাজরা। দলের সর্বভারতীয় স্তরে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে রদবদল করল গেরুয়া দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এতদিন দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিকস্তরে রদবদল শুরু করল বিজেপি। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক করেছিলেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। কেন্দ্রীয় স্তর থেকে সরিয়ে ফের কি রাজ্যে দিলীপ ঘোষকে দায়িত্বে আনা হতে পারে? সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।তাঁর এই পদ খোয়ানো প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা লড়বেন, তাঁরা যাতে আরও বেশি করে নিজেদের সংসদীয় ক্ষেত্রে সময় দিতে পারেন সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।Honble Sri @narendramodi ji 🙏Honble Sri @JPNadda ji 🙏 pic.twitter.com/0XHpLliibd Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 ডঃ অনুপম হাজরা ✨ (@tweetanupam) July 29, 2023সূত্রের খবর, শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও রদবদল হতে পারে। সেক্ষেত্রে কি এবার দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বে আনা হবে? বাড়ছে সেই জল্পনাও। এদিকে ৩ বছর কেন্দ্রীয় সম্পাদক পদে থাকার পর ফের তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি করল দল। অনুপম হাজরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও দলের সভাপতি জেপি নাড্ডাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জুলাই ২৯, ২০২৩
রাজ্য

বিডিওদের একাংশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন দিলীপ ঘোষ

রোজই পঞ্চায়েত ভোট শিরোনামে কোচবিহারের নাম উঠে আসে। নবজোয়ার যাত্রার সূত্রপাত হয়েছে এই জেলা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছেন কো। খুন-খারাবির ঘটনাও ঘটছে। বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি সিতাই, শীতলকুচি আর দিনহাটা হল উপদ্রুত এলাকা। আমাদের লোকসভায় মানুষ জিতিয়েছে। বিধানসভার দুটো আসন জিতেছি। পরে উপ-নির্বাচনে কি হয়েছে আপনারা দেখেছেন। বাইরে থেকে লোক এনে ওখানে ওরা এসব কাজ করে। বিএসএফ ওখানেই গুলি চালিয়েছিল। জনজোয়ার ওরা ওখান থেকেই শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ওখান থেকেই প্রচার শুরু করেছেন। রাজনীতিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ কোচবিহার। কিন্তু ওখানকার মানুষ উন্নয়নের কোনও স্বাদ পান না। যদি স্বাদ পেয়ে থাকেন, তাহলে বলব, হাইওয়ে তৈরি হয়েছে। মোদী করেছেন। বন্দে ভারত চালু হয়েছে সেটাও মোদী করেছেন। কেন্দ্র সুবিধা করেছে। আর মমতা ব্যানার্জি মানুষের প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন।একাধিক জেলার বিডিওদের বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে চলেছে কমিশন। ভাঙড়, মিনাখার বিডিওদের শোকজ করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, বিডিওরাই গণ্ডগোলের মাথা। বিডিও অফিস ঘুঘুর বাসা। পঞ্চায়েত ভোট ওখান থেকেই পরিচালনা হচ্ছে। মনোনয়ন দিয়েও বাতিল করা ওখান থেকেই হচ্ছে। তৃণমূলকে অনৈতিক ভাবে সুবিধা দেওয়া। বাধ্য হয়ে বা ভালো সাজার জন্য বিডিওরা এইসব কাজ করছেন। অত্যন্ত নিন্দনীয়। ১০০ দিনের কাজের টাকা বিডিও অফিস থেকেই লুঠ হচ্ছে। বিডিও অফিস গুলো এখন দুর্নীতির আখড়া।সায়নী ঘোষের নামে ইডি সমন পাঠিয়েছি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি বলেন, তৃণমূল যুব আছে কোথায়? সায়নী নেত্রী হতে গেছিল। উনি আজ কোথায়? পুরনো বা নতুন মামলা দিয়ে বিজেপি প্রার্থীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিনা কারণে বাড়িতে পুলিশের গাড়ি পাঠিয়ে বলা হচ্ছে থানায় আসুন। চমকানো হচ্ছে। সরাসরি বলা হচ্ছে মনোনয়ন প্রত্যাহার করুন। তৃণমূল কংগ্রেসের জোর নেই নির্বাচন করার। পুলিশ ও সরকারি কর্মীদের কাজে লাগিয়ে ভোটে জেতার চেষ্টা চলছে। আমার মনে হয়, সেই দিন চলে গেছে। দাবি দিলীপ ঘোষের।

জুন ২৯, ২০২৩
রাজ্য

আলকায়দা ঢুকছে, বিদেশী জঙ্গিরা আশ্রয় পাচ্ছে বাংলায়, দিলীপ ঘোষের দাবি

বন্দে ভারতে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি, কাশ্মীর শুধরে গেছে। বাংলা কাশ্মীর হয়ে যাচ্ছে। দেশ বিরোধী শক্তি এরাজ্যে এতো সক্রিয়, এখানকার সরকার সেই শক্তিকে মদত দিচ্ছে। পার্লামেন্টে যখন সি এ এ পাস হল, তখন বিরোধিতা অনেক রাজ্যে হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তিনদিন ধরে উৎপাত হয়েছে। আড়াইশো কোটি টাকার সম্পত্তি ধংস করা হয়েছে। যার সিংহভাগ রেলের সম্পত্তি। দেশের সম্পত্তিকে এই রাজ্যের একাংশ শত্রু সম্পত্তি মনে করতে শুরু করেছে। দেশের সংবিধানকে তারা শত্রুপক্ষের সংবিধান বলে মনে করছে। তারা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোক। এবং তৃণমূল কংগ্রেস তাদের পাশে আছে। একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, নুপুর শর্মার সময়ে দেখেছি। মন্দিরে সে সময় ঢিল মারা হয়েছে। দেশ বিরোধি শক্তির হাতে বাংলা চলে যাচ্ছে। ১৯৪৭ এর আগে যেরকম হয়েছিল, আবার সেই দিকে যাচ্ছে। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তৃণমূলের। মমতা তাদের সহযোগিতা করছেন। পুলিস এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।বিজেপি নেতার দাবি, বর্ডার দিয়ে সিমি, জামাত আল কায়দা ঢুকছে। বিদেশী জঙ্গিরা এখানে আশ্রয় পাচ্ছে। সমস্ত গ্যাং স্টার বা সমাজবিরোধী এখানে শেল্টার পাচ্ছে, ধরা পড়ছে। এখানে দেশ বিরোধি শক্তি সহযোগিতা পায়। এখানে তাদের আধার কার্ড হয়। রেশন কার্ড হয়। দেশের অন্যত্র গিয়ে এরা বিস্ফোরণ করে। দেশ বিরোধি কাজের অনুপ্রেরণা এই রাজ্য থেকেই পাওয়া যায়।দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, দিদি বক ধার্মিক। মমতা ব্যানার্জির মুখ থেকে সত্যের বাণী শুনতে হবে, এটা তো একপ্রকার বিড়ম্বনা। সারাজীবন যিনি মিথ্যা বলায় রেকর্ড করেছেন, মিথ্যা ছাড়া কিছু বলেন নি, দেশের একতা ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তিনি সত্যের কথা বলছেন, এটা সত্যিই বিড়ম্বনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজনীতি

ভোট পরবর্তী হিংসাঃ সাজা হলে তবেই সিবিআইতে আস্থা, ফের বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

শুধু ডাকাডাকি করলে হবে না সাজা দিতে হবে, না হলে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করবে কি করে? ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে ফের সরব বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ।বুধবার প্রাতর্ভ্রমণের পর তারাপীঠে চা চক্রে অংশগ্রহণ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি তথা খড়্গপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সকাল ছটা নাগাদ তারাপীঠ এলাকায় দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে প্রাতর্ভ্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ। এরপর তারাপীঠ পূর্বসাগর মোড়ে চায়ের দোকানে বসে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তিনি চা চক্রে মিলিত হন। এদিন চা চক্র শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে দিলীপবাবু অনুব্রত মন্ডলের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বলেন, নিজের নামে সম্পত্তি নেই মানেই সম্পত্তি নেই এমনটা নয়। উনি যা বলছেন কোর্টে প্রমান করতে হবে। আর গ্রেফতার হলেই সবাই বলে রাজনৈতিক চক্রান্ত।অন্যদিকে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আগেই সিবিআইয়ের উপর আস্থা হারিয়ে মুখ খুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর তারপর থেকেই রাজ্য জুড়ে সিবিআইয়ের বেশ কয়েকটি মুভমেন্ট দেখা গিয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অনেককে, তলব করাও চলছে। গতকালই বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় সিবিআই তলব করেছিল তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালকে। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, শুধু ডাকাডাকি করলে হবে না সাজা দিতে হবে। না হলে মানুষ বিশ্বাস করবে কি করে। দুষ্কৃতীরা খুন করে দেবে, দেশে কোনও আইন নেই, সাজা নেই। সেটা করে দেখাতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২২
রাজ্য

এবার দিলীপ ঘোষের নিশানায় সুকান্ত মজুমদার, অন্তর্দ্বন্দ্বে জীর্ণ বঙ্গ বিজেপি

এর আগে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বিষ্ণপুরের দলীয় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। তাছাড়া বিভিন্ন জেলা নেতৃত্ব তো রাজ্য সংগঠনের পদ ছাড়ার জন্য ইস্তফাপত্রই পাঠিয়েছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছে। এবার বোমা ফাটালেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপির ঘর ফাঁকা হতে শুরু করে। তারপর একের পর এক নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে দলের। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দলের ভিতর থেকেই। দিলীপ ঘোষ বলেন, সুকান্ত সবে দায়িত্ব পেয়েছেন, অভিজ্ঞতা কম। তবে যাঁরা এতদিন আন্দোলন করেছেন তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যাঁদের বিশ্বাস করে মানুষ রাস্তায় নেমেছে তাঁদেরও গুরুত্ব দিতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বকে বাদ দিলে হবে না।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের মন্তব্য, অন্য দলের বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। তবে আদি বিজেপি, তৎকাল বিজেপির মধ্যে ভয়ঙ্কর দ্বন্দ্ব তো রয়েছেই। সিপিএমের বক্তব্য, বিজেপিতে মুষল পর্ব চলছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের বক্তব্য, বিজেপি এরাজ্যে আন্দোলনে নামলে বাংলার মানুষেরই ক্ষতি। এককথায় দলের অভ্যন্তরে শুধু নয়, বিরোধীরাও কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিত।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পায়নি আদি বিজেপির অনেকেই। তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে চরম বিক্ষোভ ছিল। কিন্তু ঘরের ভিতরেই চোখে জল ফেলেছেন তাঁরা, প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলেননি। কিন্তু বিধানসভা ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই ক্রমশ দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। তৃণমূল থেকে আসা নেতৃত্ব ঘরে ফিরে গিয়েছেন। যাঁরা থেকে গিয়েছেন তাঁদের একটা বড় অংশ নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেই চলেছেন। দিল্লী পর্যন্ত পৌঁছেছে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর। যদিও দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্রমশ দলীয় সংগঠন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। নির্বাচনে গো-হারা হেরেই চলেছে গেরুয়া শিবির। সব মিলিয়ে প্রচারে থাকার জন্য দলের নেতৃত্বের বিতর্কিত মন্তব্য করা ছাড়া অন্য কোনও উপায়ও নেই বিজেপির।

এপ্রিল ২১, ২০২২
রাজ্য

Singur-BJP: সিঙ্গুরে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির, মিছিলে দিলীপ-সুকান্ত

আত্মহত্যা করেছেন এমন কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য, কৃষকদের উপযুক্ত দামে সার, সেচের জন্য ভর্তুকিতে বিদ্যুৎ দেওয়া-সহ কয়েকটি দাবিতে সিঙ্গুরে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু বিজেপি-র। সেখানে প্রথমে মিছিল করে বিজেপি। তাতে যোগ দেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা। পরে শুরু হয় ধর্না। টানা তিন দিন হুগলির সিঙ্গুরের গোপালনগরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ধরনা দেবে বিজেপি।সিঙ্গুরে বিজেপি-র কর্মসূচির জন্য সোমবার গভীর রাতে অনুমতি দেয় পুলিশ। এর পর মঙ্গলবার ধরনা মঞ্চ বাঁধা হয়। দুপুরে সিঙ্গুরের লোহাপট্টি থেকে মিছিল করে সিংহের ভেড়িতে উপস্থিত হন বিজেপি নেতারা। সঙ্গে ছিলেন কর্মী-সমর্থকরাও।সিংহের ভেড়িতে দূর্গাপুর এক্সপ্রেস হাইওয়ের পাশে ধরনা মঞ্চ বিজেপি-র। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, কৃষকদের পাশে না দাঁড়ালে তাঁদের কাছে দুটো পথ খোলা রয়েছে। হয় পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে যাওয়া না হলে আত্মহত্যা করা। তাঁর মতে, রতন টাটা এখান থেকে চলে যাওয়া দেশের শিল্পমহল পশ্চিমবঙ্গের উপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া মঙ্গলবারের মিছিলে উপস্থিত হন রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পল, চন্দনা বাউড়ি-সহ অনেকে।মিছিল শুরুর আগে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বলেন, হয় কৃষকদের জমি ফেরত দিন। না হলে চাকরি দিন। মোদিজি কৃষকদের বছরে ছয় হাজার টাকা দিচ্ছেন। সেটাও উনি দিতে দিচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: দুয়ারে রেশন নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

আইনি জটিলতা কাটিয়ে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে রেশন কর্মসূচি। লোকের কাছে নিজেকে ভাল প্রমাণের চেষ্টা করছেন। দুয়ারে রেশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুধবার এমনভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গল থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে রেশন। এবার থেকে ১০০ শতাংশ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। সরকারের এই কর্মকাণ্ডের চরম বিরোধিতা করেন দিলীপ।বুধবার নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর দিলীপ বলেন, লোককে দেখাচ্ছে আপনাদের জন্য আমি খুব ভাবি। লোক এটা চায়নি। দুয়ারে কে পৌঁছাবে রেশন? ইতিমধ্যেই দুয়ারে রেশন নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। অস্বিত্ব রক্ষার তাগিদে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রেশন ডিলাররা। কিন্তু তাঁদের আর্জি খারিজ হয়ে যায়।রেশন ডিলারদের পরিস্থিতি নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ডিলারদের আদালতে যেতে হল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, দুয়ারে রেশন, এগুলো মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। ডিলারদের ভয় দেখিয়ে, চমকে বেশিদিন সরকার চালানো যায় না। দিল্লিতে ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

BJP: উপনির্বাচনে ভরাডুবিতে 'সন্ত্রাস' দেখছে বিজেপি

উপনির্বাচনে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। মাস খানেক আগেই যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের ছবি দেখা গিয়েছিল, তা যেন এবার একেবারে উধাও। চারটি কেন্দ্রের তিনটিতেই জামানত জব্দ। কোনওরকমে মুখ রক্ষা হয়েছে শান্তিপুরে। আজ ভোটের ফলাফলের পর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, যেভাবে ভোট হয়েছে তাতে আগামী দিনে উপনির্বাচনে হলে তৃণমূল ১০০ শতাংশ ভোট পাবে।দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, দিনাহাটায় একটি গাড়িও দেওয়া হয়নি। গোসাবায় বলা হচ্ছে, বাড়ি থেকে বেরাবেন না। খড়দহে প্রার্থী নিজে ভোট দিতে পারেননি। তবে বিজেপির যে একেবারে কোমর ভেঙে পড়েছে বাংলায়, এমনটা মানতে নারাজ তিনি। আগামী দিনে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। বললেন, সাধারণ নির্বাচনে আবার জিতব। এদিকে আজ দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও। তৃণমূলকে উপনির্বাচনের চারটি আসনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন শমীক। তবে একইসঙ্গে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের উপর যে হামলা হয়েছে, তা ভোলার নয়। হাইকোর্টের নির্দেশেই তা স্পষ্ট। প্রচুর বিজেপি কর্মী এখনও ঘরছাড়া। সন্ত্রাসের আবহে দলের মধ্যে একাংশের মত ছিল, আমরা নির্বাচনে যেন অংশ না নিই। যেখানে যেখানে উপনির্বাচন হয়েছে, সেখানেও দলের স্থানীয় নেতা ও কর্মীদের অনেকে এই মত দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও আমরা লড়াই করি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় বিজেপির সাংগঠনিক সভায় দুই গোষ্ঠীর মারপিট-ভাঙচুর, দিলীপ ঘোষকে গো-ব্যাক শ্লোগান

রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের সাংগঠনিক সভায় পৌছানোর আগেই বাঁধলো ধুন্ধুমার। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দাঁইহাটের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতি মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা কর্মীরা। একই সঙ্গে চলে পার্টি অফিসের আসবাবপত্র ও টেবিল চেয়ার ভাঙচুর।সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পার্টি অফিসে পৌছানোর পরেও দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে বিরাম পড়েনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধদের পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পাল্টা দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক শ্লোগান দিয়ে বিক্ষুব্ধরা।বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করলেও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে এদিনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে। কাটোয়ার বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল এই প্রথম প্রকাশ্যে আসলো এমনটা নয়। বিধানসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে ওঠে। এদিন দাঁইহাটের পার্টি অফিসে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মারপিটে জড়ানোর ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ভোটে ভরাঢুবির পরেও কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠী বিবাদে বিরাম পড়েনি। এদিন দাঁইহাটের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে একটি সাংগঠনিক সভা ছিল। সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পৌছানোর আগে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সেই সভা পৌরহিত্য করা শুরু করতেই ক্ষোভ বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। কৃষ্ণ ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী সভাস্থলেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। তাঁরা কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর মণ্ডল সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দেন। বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ তোলেন, এই দুই নেতার জন্যই কাটোয়ায় বিজেপি হেরেছে। কৃষ্ণ ঘোষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূল দলকে কাটোয়ায় জিতিয়েছে। তাঁরা দলের কর্মীদের কোন গুরুত্ব দেন না। কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর পদত্যাগের দাবিও তোলেন বিক্ষুব্ধরা। এইসব অভিযোগ তোলা নিয়ে সভা শুরুর আগেই জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। শুরু হয়ে যায় টেবিল চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মারধোর করা শুরু করে দেয় দলের পদাধীকারীদের। এমন পরিস্থিতি চলার সময়েই দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার দাঁইহাটের জেলা পার্টি অফিসে এসে পৌঁছান। তার পরেও বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা জেলা কার্যালয়ে ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে দেখে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিপেটা করিয়ে বিক্ষুব্ধদের বের করে দেওয়ার হুমকি দিলে পাল্টা তাঁকে গো- ব্যাক শ্লোগান শুনতে হয়। এই ঘটনা যথেষ্টই বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এদিনের ঘটনা নিয়ে কৃষ্ণ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এদিন যাঁরা ভাঙচুর, অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা বিজেপির কেউ হতে পারে না। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত । যদি এদিনের ঘটনায় বিজেপির কেউ যুক্ত থাকেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাল্টা অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,বিধানসভা ভোটে ভরাঢুবির পর শৃঙ্খলাহীন বিজেপি দলে এখন অন্দরের কোন্দল চরমে উঠেছে। তারই বহিপ্রকাশ এদিন ঘটেছে দাঁইহাটে বিজেপির সভায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

BJP-Clash: পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ

ফের প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব।প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতির সভার আগেই তাঁদের সামনেই তুমুল উত্তেজনা ছড়াল বর্ধমান জেলার দাঁইহাট শহরে। দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দলের কর্মীরা। সভার শুরুর আগেই ভাঙচুর করা হয় চেয়ার টেবিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। আরও পড়ুনঃ বর্ষা বিদায়ের আগাম সুখবর শোনাল হাওয়া অফিসএদিন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ দলের একাংশ বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর কমিটির সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। দুই নেতাকে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর মতন নেতাদের জন্য একুশের নির্বাচনে ফল খারাপ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের আরও অভিযোগ, ভোটের ফল ঘোষণার পর ওই নেতারা কর্মীদের কোনও খোঁজখবর রাখেনি। সেই ক্ষোভেই এদিন ওই দুই নেতার পদত্যাগের দাবি জানান দলের কর্মীদের একাংশ।জানা গিয়েছে, শুক্রবার পূ্র্ব বর্ধমানের দাঁইহাটের বাগতিকর এলাকায় বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কার্যালয় অফিসে বিশেষ সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষের। আলোচনা সভার পর বিকেলে নবনির্বাচিত রাজ্য সভাপতিকে সম্বর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ সেখানে পৌঁছনোর আগেই তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

Sukanta Mazumder: 'ব্যান্ড' দিলীপের তৈরি পথেই হাঁটবেন সুকান্ত

বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। তার মধ্যেই দলের প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে পাশে নিয়ে সমন্বয়ের বার্তা দিলেন নতুন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বললেন, দিলীপদা ব্র্যান্ড, ওঁর বিকল্প নেই। দিলীপদার থেকেই লড়াই শিখেছি। ওঁর আদর্শকে সামনে রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ব। রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন সকালে দিলীপের চায়ে পে চর্চা আগামী দিনেও চলবে বলে জানিয়ে দেন বালুরঘাটের সাংসদ।সোমবার রাতে নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পরে মঙ্গলবার কলকাতায় বিজেপি-র সদর দপ্তরে যান সুকান্ত। সেখানে তাঁর জন্য একটি সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। দিলীপ নিজেই পেন, মালা দিয়ে স্বাগত জানান তাঁর উত্তরসূরিকে। অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে বার বার দিলীপের প্রশংসা শোনা যায় সুকান্তর মুখে। পূর্বসূরির নেতৃত্বে বাংলায় বিজেপি-র সাফল্যের কথা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। এরপরই সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে পাশে নিয়েই একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন সুকান্ত।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় নিষিদ্ধ রাজনৈতিক মিছিল, ঘোর অনিশ্চয়তায় তৃণমূলদিলীপ যে আগ্রাসন নিয়ে এতদিন দল এবং সংগঠন পরিচালনা করেছেন, তিনি তার থেকে খুব একটা পিছিয়ে আসবেন না। এমনটা নিজের বক্তব্য দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুকান্ত বলেন, এ রাজ্যে তালিবানি কায়দায় সরকার চলছে। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পশ্চিমবঙ্গের সরকার বদল হতে পারে বলেও বলতে শোনা যায় তাঁকে। দিলীপ ঘোষ যে উচ্চতায় বিজেপিকে নিয়ে গিয়েছিলেন, তার জায়গায় এসে সুকান্ত বিজেপিকে কোথায় নিয়ে যেতে পারেন, সেটাই বঙ্গ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণের অন্যতম বিষয় হতে চলেছে। তবে একুশের নির্বাচনে যে কিছু ক্ষেত্রে পরিকল্পনা এবং রণনীতিগত খামতি ছিল, সেটা এ দিন স্বীকার করে নেন সুকান্ত। একই সঙ্গে যে নেতা-কর্মীরা ভোটের পর দলত্যাগ করেছেন, তাঁদেরও নতুন করে দলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।সুকান্ত বলেন, আমরা চাই না কেউ দল ছেড়ে যাক। সবাইকে নিয়েই চলতে চাই। যারা বিজেপির নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী তাঁরা আশা করে আমাদের সঙ্গেই থাকবেন। এবং যারা অন্য কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে বিজেপিতে এসেছিলেন, তাঁরা চলে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। যারা চলে গিয়েছেন, তাঁরা পর্যালোচনা করে দেখবেন, হয়তো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা ফিরে আসুন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।বর্ধমান মডেল স্কুলের নৃত্য বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা প্রখ্যাত ওডিশি নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্র জানান, এবারের তাঁদের থিম The Rhythm of Togetherness এটি Dance ও Sociology বিভাগের এক অনন্য যৌথ উপস্থাপনা, যেখানে নৃত্য ও সমাজবিজ্ঞানের নিজস্ব ভাবনাগুলি সুন্দরভাবে একসূত্রে মিলিত হয়েছে। এই থিমের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের চিত্র। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতি, খাদ্য, পোশাক ,সংস্কৃতি ইত্যাদি নানান ক্ষেত্রে আমরা ভিন্ন হলেও আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়আমরা ভারতীয়। এই বৈচিত্র্যের মধ্যকার ঐক্যই আমাদের শক্তি ও গর্ব।বিভিন্ন মডেল ও চার্টের মাধ্যমে বিষয়টির ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের লোকনৃত্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।নৃত্যের ছন্দ এবং সমাজবিজ্ঞানের ভাবনাদুইয়ের অপূর্ব মেলবন্ধনে The Rhythm of Togetherness আমাদের মনে করিয়ে দেয় বৈচিত্র্য আমাদের পরিচয়, ঐক্য আমাদের শক্তি।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal